৪ ট্রিলিয়ন বা ৪ লাখ কোটি ডলার বাজারমূল্যের সীমা অতিক্রম করেছে মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফট। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ফলাফল প্রকাশের পর বাজারমূল্য নতুন এ উচ্চতায় পৌঁছে। খবর আনাদোলু।
গত বুধবার আফটার আওয়ারস ট্রেডিংয়ে কোম্পানির বাজারমূল্যে এ ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়। সামগ্রিকভাবে মাইক্রোসফটের আর্থিক প্রতিবেদন ছিল প্রত্যাশার তুলনায় ভালো। এদিন কোম্পনিটির শেয়ারদর ৮ দশমিক ২৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৫৫৫ ডলার ৭৪ সেন্ট। এর আগে একমাত্র এনভিডিয়ার বাজারমূল্য ৪ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে।
এদিকে বুধবার প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) মাইক্রোসফটের মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭২৩ কোটি ডলার, যা আগের বছরের ২ হাজার ২০৪ কোটি ডলার থেকে ২৪ শতাংশ বেশি। একই সময়ে মোট আয় ১৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৬৪৪ কোটি ডলার, যা গত বছর ছিল ৬ হাজার ৪৭০ কোটি ডলার।
এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে মাইক্রোসফটের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২৪ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৩ ডলার ৬৫ সেন্ট।
মাইক্রোসফট জানিয়েছে, জুনে শেষ হওয়া প্রান্তিকে সার্ভার পণ্য ও ক্লাউড পরিষেবা থেকে আয় বেড়েছে ২৭ শতাংশ। এতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে আজুর ও অন্যান্য ক্লাউড পরিষেবায় ৩৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি।
কোম্পানির প্রডাক্টিভিটি অ্যান্ড বিজনেস প্রসেসেস বিভাগে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে লিংকডইন ও অফিস সফটওয়্যার। এ বিভাগে আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩১১ কোটি ডলার।
মোর পার্সোনাল কম্পিউটিং ইউনিটে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ভিডিও গেম, গ্যাজেট, উইন্ডোজ ও সার্চ বিজ্ঞাপন। এ বিভাগ থেকে আয় হয়েছে ১ হাজার ৩৪৫ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৯ শতাংশ বেশি।
এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে মাইক্রোসফটের মূল কার্যক্রমের বাইরে অতিরিক্ত খরচ হয়েছে ১৭১ কোটি ডলার। এর মধ্যে ওপেনএআইয়ের মতো ইকুইটিভিত্তিক বিনিয়োগে লোকসানও অন্তর্ভুক্ত। আগের প্রান্তিকে এ খাতে ব্যয় হয়েছিল ৬২ কোটি ৩০ লাখ ডলার।